চিকন থেকে স্বাস্থ্যবান হওয়ার উপায়
চিকন থেকে স্বাস্থ্যবান হওয়ার উপায়, অনেকে চিকন থেকে মোটা হওয়ার চেষ্টা করেন,আবার অনেকে মোটা থেকে চিকন হওয়ার চেষ্টা করে থাকেন। আসলে কোনটা অতিরিক্ত ভালো না কারন মোটা হলে চলাফেরা কাজকর্ম করা সমস্য হয় তেমনি চিকন হলে মানু বেশি অসুস্থ হয়। আবার অনেকে বিয়ের সময় বা যে কোন কাজ খেলাধুলা নিতে চাই না।এই জন্য আমাদের প্রয়োজন না মোটা না চিকন আপনার বডি থাকবে সু সাস্থ্যবান।
আমরা উপরে দেখতে পারছি যে একটা সাস্থ্যহীন মানুষ যার পর্যাপ্ত
ভিটামিন,ক্যালরি,এবং সাস্থ্যবান জাতীয় খাবার এর অভাব রয়েছে। এই জন্য আমরা
এখন জানবো যে কি জাতীয় খাদ্যা খেলে আমরা সাস্থ্যর দিক থেকে ভালো থাকবো। চলুন
তাহলে জানা যাক কিভাবে চিকন থেকে সাস্থ্যবান হওয়া যায়।এবং সুস্থ থাকা যায়। আমরা
যদি নিয়মিত পরিমানমত ভালো খাবার তাহলে সাস্থ্য ভালো থাকবে।
পেজ সূচিপত্রঃচিকন থেকে স্বাস্থ্যবান হওয়ার উপায়
-
চিকন থেকে স্বাস্থ্যবান হওয়ার উপায়
-
দূত মোটা হওয়ার জন্য করনীয়
-
মোটা হতে পারছেন না কেন বা ওজন বাড়ছে না কেন
-
চিকোন মানুষের কিছু বৈশিষ্ট, চিকন কেন হয়
-
প্রকৃতিক ভাবে সাস্থ্যবান হতে চান
-
সু সাস্থ্যর জন্য যে খাবার খাবেন
-
কি উপায়ে খাবার খেলে আপনি মোটা হবেন
-
মোটা হওয়ার জন্য ঘুমাবেন কেন
-
মোটা হওয়ার জন্য পানি পান
-
শেষ কথাঃ চিকন থেকে স্বাস্থ্যবান হওয়ার উপায়
চিকন থেকে স্বাস্থ্যবান হওয়ার উপায়
চিকন থেকে স্বাস্থ্যবান হওয়ার উপায়,সাধারনত সাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত ভিটামিন
জাতীয় খাবার খেতে হবে।সাস্থ্য, সু সাস্থ্যর মূল এর জন্য আমাদের নিজের সাস্থ্যর
প্রতি লক্ষ রাখতে হবে। কথায় আছে সাস্থ্য ভালো থাকলে মন ভালো থাকে।আর মন ভালো
থাকলে সকল কাজ কর্ম ভালো লাগবে।চিকন থেকে সাস্থ্যবান হতে কে না চাই এই জন্য
শরীরের প্রতি লক্ষ রেখে প্রতিদিন প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন জাতীয় খাবার
খেতে হবে এবং নিয়মিত ব্যায়ম করতে হবে।
চিকন থেকে সাস্থ্যবান হওয়ার জন্য আমরা এখানে বিভিন্ন ধরনের উপায় নিয়ে আলোচনা করবো
পুরো পোষ্টটি পড়ে আপনি জেনে নিন যে আপনি কত উপায়ে চিকন থেকে মোটা হবেন।মানুষের
সাস্থ্য হচ্ছে সুখের মূল,সাস্থ্য ভালো থাকলে যে কোন কোম্পানির চাকরি,বিয়ে,কিছু
শক্তির কাজ,চেহারার সৌন্দর্য,এই গুলা সবই সাস্থ্যর উপর নির্ভর করে থাকে।
আরো পড়ুনঃ
কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা
দূত মোটা হওয়ার জন্য করনীয়
বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মানুষের কাছে শুনা যায় যে শরীর সাস্থ্য বেড়ে যাচ্ছে কমাতে
হবে। কিন্তু কিছু মানুষ চায় দূত মোটা হতে। আচ্ছা মোটা হওয়ার জন্য যে শুধু বেশি
খেলে হবে না পরিমান মত খেতে হবে কিন্তু এর মধ্যে সুষম জাতীয় খাবার,
পুষ্টিকর খাবার, সঠিক খাদ্যাভাস,নিয়মিত ব্যায়ম করা আবার অলস ভাবে বসে না থেকে কোন
কাজ বা কোন কিছুতে ব্যস্ত থাকা।যে কোন কিছুতে ব্যস্ত থাকলে টেনশান কম হবে,মন ভালো
থাকবে।মন, সাস্থ্যর উপর অনেকাংশ নির্ভর করে থাকে।
মোটা হতে পারছেন না কেন, বা ওজন বাড়ছে না কেন
আমরা এখানে আলোচনা করবো যে আপনি কিভাবে মোটা হবেন এর জন্য কি করতে হবে কি খেতে
হবে সমস্ত কিছু আমরা এখানে জানবো। প্রথমত আপনার পরিবার বা বংশের মধ্যে যদি সবাই
চিকন থাকে তাহলে আপনি যতই ভালো খান না কেন আপনার বংশের জেনেটিক এর কারনে আপনি
মোটা হতে পারবেন না।আবার আপনি বেশি খাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু সময় মত খাচ্ছেন না সকালের
নাস্তা খাচ্ছেন ১২ টার দিকে আবার দুপুরের খাবার খাচ্ছেন বিকেলে।
এভাবে খেলে আপনার পেটে সমস্য তো হবেই আবার আপনার ওজন এবং সাস্থ্য কোনদিন বাড়বে
না। আবার আপনি সময়মত খাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু আপনার ঘুম কম বা টেনশান বেশি হয় তাহলে
আপনার সাস্থ্য কখনও ভালো হবে না।এই জন্য খাওয়া, টেনশন, ঘুম, একটি অপরটির সাথে
জড়িত এই জন্য শুধু খেলে হবে না উক্ত বিষয় সমূহ মেনে চলতে হবে।
চিকোন মানুষের কিছু বৈশিষ্ট, চিকন কেন হয়
চিকোন মানুষ কিছু তাদের নিজের কারনে হয় আবার কিছু মানুষ তার বংশের কারনে হয়ে
থাকে।বংশের মধ্যে যদি সবাই চিকন থাকে তাহলে পরিবারের চিকন হয়ে থাকে।চিকন মানুষের
মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট লক্ষ করা যায় যেমন:
- ওজন উচ্চতার তুলনায় খুবই কম থাকে।
- শরীরে চর্বির পরিমান খবই কম থাকে,শরীর এমন থাকে মনে হয় বাতাসে উড়ে যাবে।
- যে কোন কাজ করলে বা একটু দৌড়ালে,সিড়ি দিয়ে ৫ লা বা ৬ তলা উঠলে অনেক ক্লান্ত হয়ে যায়।
- সামান্য অসুখ হলে সহজে ভালো হয় না,এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে।
- সময় মত না খাওয়া,বেশি কায়িক পরিশ্রম করা কিন্তু সে তুলনায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি জাতীয় খাদ্য না খাওয়া।
- ঠিক মত ঘুম না হওয়া।
প্রকৃতিক ভাবে সাস্থ্যবান হতে চান
প্রাকৃতিক ভাবে সাস্থ্যবান হতে হলে আপনাকে প্রাকৃতিক খাবার খেতে হবে। এই খাবার
গুলো মধ্যে পুষ্টিকর খাবার, কারন এর মধ্যে অনেক ধরনের ভিটামিন থাকে যা খেলে
বিভিন্ন ধরনের এ থেকে জেড পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন পাওয়া যায়। চলুন তাহলে
জানা যাক কি ধরনের খাবার খেলে আমাদের সাস্থ্য ঠিক থাকবে। আমরা দৈনিন্দিন যে কাজ
কর্ম করি এর জন্য আমাদের শরীরের ক্যালরি খরচ হয় কিন্তু এগুলো পুরন করা
দরকার।আবার বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি খেতে হবে। আমাদের দেশে শীতকালে বিভিন্ন
ধরনের রঙ্গিং শাক সবজি পাওয়া যায়।
সু সাস্থ্যর জন্য যে খাবার খাবেন
ক্যালোরি যুক্ত খাবার:
ক্যালোরি যুক্ত খাবার এর মধ্যে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে
ফাস্টফুড খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে কারন এতে ফ্যাট দূত বেড়ে যায়।
প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে:
এই খাবার এর মধ্যে আমাদের শরীরের পেশি তৈরি করে, প্রোটিনযুক্ত খাবার গুলোর
মধ্যে যা আপনি কম খরচে পাবেন, যেমন ডিম,দুধ,মাছ,মাংস,মুরগি,ছোলা বিভিন্ন
ধরনের ডাল, আমাদের প্রতিদিনের খাবারে প্রতি কেজি ওজনের জন্য আমাদের ১.৫
বা ২ গ্রাম প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া দরকার।
কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাবার খেতে হবে:
কার্বহাইড্রেট এর মধ্যে ভাত এবং আলু প্রধান খাদ্য,অনেকে এই জাতীয় খাবার খুব কম
খাই কারন যদি বেশি মোটা হয়ে যায়।কিন্তু এই গুলো খাবার ও খেতে হবে।এই খাবার
গুলোর মধ্যে হচ্ছে ভাত,রুটি,আলু,চিড়া,কলা।
ফ্যাটযুক্ত খাবার খেতে হবে:
অনেকে মনে করেন যে ফ্যাটযুক্ত খাবার খেলে মানুষ বেশি মোটা হয়ে যায়। কিন্তু আসলে
তা না পরিমান মত ফ্যাট খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজন আছে।এগুলো খাবার এর
মধ্যে হচ্ছে বাদাম,চিনাবাদাম,কাজুবাদাম,অলিভ ওয়েল ইত্যাদি।
কি উপায়ে খাবার খেলে আপনি মোটা হবেন
ডাক্তারি ভাষ্যমতে আপনি ৩ বেলা যতই খাবার খান না কেন, এতে আপনার পেট ভরবে
সাময়িক কিন্তু ২ বা ৩ ঘন্টা পর আবার আপনাকে খিদে লাগলে দেখো যাচ্ছে দুপুরে
খেয়েছেন রাতের খাবার এর সময় এখনো হয় নাই এই জন্য যদি আপনি হালকা কিছু না খান
তাহলে আপনি শুকিয়ে যাবেন।এই জন্য আপনাকে শুধু ৩ বেলা নয় দিনে ৫ থেকে ৬ বার খেতে
হবে। মনে করেন আপনি সকালে, ুদুপুরে, রাতে খেলেন কিন্তু আর খেলেন না এতে
হবে না।
আপনাকে সকালে,দুপুরে,বিকেলে বা সন্ধ্যায়,এবং রাতে খেতে হবে। আবার আপনি এটা করতে
পারেন আপনার যখন খিদে লাগবে তখন খাবেন এরকম ভাবে ২ থেকে ৩ মাস খেলে দেখবেন আপনি
মোটা হয়ে যাবেন। কিন্তু কখনও মোটা হবার ওষুধ খাবেন না। আবার আপনাকে প্রতিদিন
নিয়মিত ব্যাম করতে হবে।তাহলে আপনার হজমশক্তি বাড়বে এতে আপনার খিদে লাগবে আপনি
খিদে লাগলে খাবেন।
মোটা হওয়ার জন্য ঘুমাবেন কেন
মোটা হওয়ার জন্য ঘুম এবং বিশ্রাম হচ্ছে একটা অস্ত্র, শুধু খেলে হবে না সে
অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে এবং সময় মত ঘুমাতে হবে।আবার ঘুমের সময় না
ঘুমিয়ে যদি রাত ১ বা ২ টার দিকে ঘুমান তাহলে সাস্থ্য হওয়ার চেয়ে সাস্থ্যর আরো
ক্ষতি হবে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। ৮ ঘন্টা ঘুমালে
সাস্থ্যর পক্ষে ভালাে। ঠিক মত ঘুমালে শরীরের পেশী গঠন হয়। আমাদের শরীরের হরমোন
এর ব্যালেন্স ঠিক থাকে। এবং ক্ষুদা লাগে।
বর্তমানে বেশির ভাগ মানুষ মোবাইল ঘাটাঘাটি করে থাকে আর ঘুমায় কম বিধায় মানুষের
বিভিন্ন ধরনের অসুখ বিসুখ বেড়ে চলছে এই জন্য মোবাইল দেখবেন ঠিক আছে কিন্তু একটা
সময় করে মোবাইল দেখতে হবে। তাছাড়া মোবাইল বেশি দেখলে নিজের কাজ কর্মের জন্য
ক্ষতি এবং নিজের সাস্থ্যর জন্য ক্ষতি হয়।
আরো পড়ুনঃআমার বিয়ে কবে হবে
মোটা হওয়ার জন্য পানি পান
আমরা সবাই জানি পানির উপর নাম জীবন,পানি ছাড়া সবকিছু অচল কোন কিছু পানি ছাড়া হয়
না।প্রতিদিন সাধারনত একটা মানুষকে ৩ লিটার পানি পান করতে হয়।মানুষের জন্য পানি
অপরিহার্য পানি ছাড়া খাওয়ার সহজে হজম হয় না।সারাদিনে মানুষ বিভিন্ন ধরনের কাজের
জন্য পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করে থাকে।যে কোন খাবার ঠিকমত চিবিয়ে খেলে এবং
পরিসান মত পানি পান করলে খাওয়ার ভালোভাবে হজম হয়।
আর পানি ঠিকমত পান না করলে কষ্ট্যকাঠিন্য হয়, কারন পানি পান করলে
খাওয়ার হজম হয় এবং কষ্ট্যকাঠিন্য হতে রক্ষা করে।খাওয়ার ভালোভাবে হজম হলে
শরীরে পুষ্টি যোগাতে সহায়তা থাকে। পানি ঠিকমত পান করলে আমাদের কিডনি মূত্রনালী
ভালো থাকে।লিভার, হার্ড, সমস্ত শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে পানি।আমরা সকালে ঘুম
থেকে ওঠি আর পানির ব্যবহার শুরু হয় এবং ঘুমাতে যাওয়ার সময় শেষ হয় পানির
ব্যবহার।
শেষ কথাঃ চিকন থেকে স্বাস্থ্যবান হওয়ার উপায়
উক্ত আলোচনার মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে কিভাবে আপনি চিকন থেকে মোটা
হবেন।মানুষ বেশি মোটা হতে চাই না আবার বেশি চিকন হতে চাই না এই জন্য দরকার সু
সাস্থ্যবান শরীর যা মোটা হবে না আবার চিকনও হবে না। আপনি সু সাস্থ্যর অধিকারী
হতে চান তাহলে উক্ত আলোচনার নিয়ম কানুন মেনে চলুন তাহলে আপনার সাস্থ্য ভালো
থাকবে।পোষ্টটি ভালো লাগলে আমার আরো অনেক পোষ্ট আছে পড়তে পারেন।এই পোষ্টটি পড়ার
জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট
পড়ুন। ইন্সাআল্লাহ অনেক কিছু জানতে পারবেন।
.jpg)
.jpg)
.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url